কাগজ ছেঁড়ার মতো মিহি একটা শব্দ হচ্ছে। রিমির বাথরুমের তাকের সামনে দাঁড়িয়ে ফারজানা থুতনির নিচ থেকে ধীরে ধীরে ফিল্মটা টেনে তুলছে, আর মাথার ওপর এক্সহস্ট ফ্যানটা তার পুরনো ঘড়ঘড় আওয়াজে ঘুরছে। তাকের ওপর নারকেল তেলের বোতল, একটা ভাঙা দাঁতের চিরুনি, দুটো কালো হেয়ার ব্যান্ড, আধখোলা টুথপেস্ট।
দরজার ওপাশ থেকে রিমি চেঁচাচ্ছে, "নাকের পাশটা আস্তে তোল!" ফারজানা হাতের তালুতে উঠে আসা পাতলা ফিল্মটা মেলে ধরে — গায়ে সরু সরু দাগ, ঠিক নাকের pores-এর ছাপ। সবুজ মগটা বেসিনের কোণে উল্টে রাখা।
গত মাসে ব্যাপারটা এমন ছিল না। এই একই তাকে ভর দিয়ে সেদিন বিকেলে সে দুবার face wash করেছিল, তবু নাকের পাশের রুক্ষ texture-টা ফাউন্ডেশনের নিচ থেকে উঁকি দিচ্ছিল। ছবি তোলার সময় সে জানালার আলো থেকে সরে সবার পেছনের সারিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল।
সেদিনই রিমি তাকের একদম ভেতর থেকে টেনে বের করেছিল ছোট একটা টিউব — Laikou Sakura Peel Off Mask – 50g। টুথপেস্টের পাশে অনায়াসে বসে যায়, এত ছোট। ফারজানা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখেছিল, তারপর ব্যাগে ভরে নিয়েছিল একটা।
টিউব চাপ দিলে বেরোয় ঠান্ডা, স্বচ্ছ একটা জেল — আঙুলে নিলে প্রথমেই ত্বকের চেয়ে ঠান্ডা লাগে। গালে ছড়িয়ে দিলে পাতলা হয়ে বসে যায়, ভারী লাগে না। সাকুরার মতো হালকা ফুলেল একটা ঘ্রাণ, খুব চড়া নয়। মিনিট পনেরো পর কথা বললে গালের চামড়ায় টান ধরে — বোঝা যায় শুকিয়েছে। তারপর সেই কাগজ ছেঁড়ার শব্দ।
এখন ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফারজানা আঙুল বুলিয়ে দেখছে নাকের পাশটা। মসৃণ। রিমি তোয়ালে এগিয়ে দিয়ে বলছে, "এবার ছবিতে সামনে দাঁড়াস।" ফারজানার ব্যাগে নিজের টিউবটা আছে — আজ রাতে নিজের বাথরুমের তাকে গিয়ে বসবে।
আপনার তাকেও এই ৫০ গ্রামের টিউবটা রাখতে পারেন — পরের আড্ডার আগের বিকেলটার জন্য।
আলহামদুলিল্লাহ, নাকের ওপর ছোট ছোট ব্ল্যাকহেডসগুলো এক টানেই উঠে আসছে! তোলার সময় তেমন ব্যথাও লাগে না। বেশ ভালো প্রডাক্ট।
প্রথমবার ইউজ করলাম। নাকটা টেনে পিল করার পর মাশাআল্লাহ একদম ক্লিন আর স্মুথ লাগে। আগের মতো খসখসে ভাবটা আর নেই।
অন্যান্য পিল অফ মাস্ক দিলে নাক ছিলে লাল হয়ে যেত। কিন্তু এইতা ব্যবহার করলে লাল হইনা
ধন্যবাদ ভাইয়াদের, পার্সেলটা কালকেই হাতে পেলাম। আজকে ট্রাই করে দেখলাম, রেজাল্ট সত্যি অসাধারণ।
আপনার মতামত অন্য ক্রেতাদের সাহায্য করবে