«আপনার মুখে কী হয়েছে?» — প্রশ্নটা কেউ একজন করেছিল ছাদে, শেষ বিকেলের কমলা আলোটা যখন সোজা আপনার গালের ওপর পড়েছিল। আপনি হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তারপর থেকে ওই আলোয় আর দাঁড়ান না।
এখন সন্ধ্যার আগে কাপড় তুলতে ছাদে উঠলে আপনি নিজের অজান্তেই পানির ট্যাংকের ছায়ার দিকে সরে যান। রেলিংয়ে ভেজা ওড়না, টবের মরিচগাছে ধুলো, নিচের রাস্তায় রিকশার বেল — আর আপনি দাঁড়ান এমন দিকে, যেন আলোটা মুখে নয়, পিঠে পড়ে। কথাটা আপনি কাউকে কোনোদিন বলেননি।
সারাদিন ফাউন্ডেশনের পরত দিয়ে যা ঢেকে রাখেন, রাতে face wash দিয়ে ধুয়ে ফেলার পর আয়নার সামনে সেটাই আবার ফিরে আসে — গালের সেই টনটনে acne, নাকের দুপাশে জমে থাকা কালচে blackheads, আর গালের ওপর বড় হয়ে যাওয়া pores। বাজারের সাধারণ anti-acne ক্রিমগুলো পিম্পল কিছুটা শুকিয়েছে ঠিকই, কিন্তু blackheads আর pores-এর জায়গায় কিছুই বদলায়নি।
এই তিনটে সমস্যা একসাথে ধরার জন্যই Acne Gel। এর nourishing ফর্মুলা ব্রণের ব্যাকটেরিয়ার ওপর কাজ করে, আর স্যালিসিলিক অ্যাসিড লোমকূপের গভীরে জমে থাকা জেদি সেবাম আর blackheads গলিয়ে বের করে আনে। সাথে এর অ্যাকটিভ উপাদানগুলো বড় হয়ে যাওয়া pores সংকুচিত করে ত্বকের ওপরের texture মসৃণ করে তোলে।
টিউব চাপলে বেরিয়ে আসে মটরদানার সমান স্বচ্ছ জেল — আঙুলের ডগায় ঠান্ডা লাগে, প্রায় ভেজা মনে হয়। ছাদের হাওয়ায় নাকের দুপাশে বুলিয়ে দিলে দুই-তিন মিনিটেই মিলিয়ে যায়, কোনো আঠালো ভারী পরত থাকে না। গন্ধটা মৃদু, ওষুধের মতো নয়। প্রথম কয়েক সেকেন্ড হালকা একটা টানটান অনুভূতি — বুঝবেন কাজ শুরু হয়েছে।
নিয়মিত ব্যবহারে গালের পিম্পলগুলো শুকিয়ে বসে যেতে থাকে, নাকের ওপর আঙুল বুলালে সেই খসখসে দানাদার ভাবটা কমে আসে, pores ছোট হয়ে ত্বক দেখায় টানটান আর পরিষ্কার। একদিন খেয়াল করবেন, ছাদের সেই কমলা আলোটার দিকে মুখ ঘুরিয়ে দাঁড়াতে আপনার আর কিছু মনে হচ্ছে না।
এবার ফিল্টার ছাড়াই দাঁড়ান — Acne Gel আপনার রুটিনে যোগ করে দেখুন ✨
রাতে ব্রণের ওপর একটুখানি দিয়ে ঘুমাইছিলাম, সকালে উঠে দেখি ফোলা ভাব আর ব্যথা একদম নাই
একদম লাইট জেল , মুখে দেওয়ার সাথে সাথে মিশে যায়।
পিম্পলের ওপর ২-৩ দিন লাগাইতেই ব্রণ শুকায় যাই
ব্রণের জন্য খুবই সেফ একটা জেল
পিরিয়ডের টাইমে হঠাৎ যে ব্রণগুলো ওঠে সেগুলোর জন্য বেস্ট সলিউশন
আপনার মতামত অন্য ক্রেতাদের সাহায্য করবে